July 25, 2021

Shimanterahban24

Online News Paper

অলিম্পিকে মেসি বনাম রোনালদো

1 min read
সীমান্তের আহ্বান

এইচ.এম.গোলাম কিবরিয়া ;; ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, কোপা আমেরিকা, ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ কিংবা ক্লাব ফুটবলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির সাফল্য-ব্যর্থতার খতিয়ান কম-বেশি প্রায় সবারই জানা। কিন্তু অলিম্পিক ফুটবলে সময়ের সেরা দুই ফুটবলারের অভিজ্ঞতা কেমন? এই অঙ্গনে রোনালদোর চেয়ে মেসিই সফল ফুটবলার।

২০০৮ সালে আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়বার অলিম্পিক স্বর্ণপদক পেয়েছে মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে। দেশের হয়ে ওটাই মেসির প্রথম সাফল্য। কিন্তু অলিম্পিকে মূল জাতীয় দল অংশ নেয় না বিধায় তা অনেক সময় আলোচনার আড়ালে চলে যায়। এবার কোপা আমেরিকা জিতে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়েছেন মেসি। তার একটা স্বপ্ন এখনো বাকি আছে।

তা হলো ফুটবল বিশ্বকাপ। ২০১৪ সালে তো ফাইনালে গিয়েও হেরে গেছেন মেসি অ্যান্ড কোং। রোনালদোর অধরা স্বপ্নও এখানেই। বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি ছুঁয়ে দেখা হয়নি তারও। পর্তুগিজ যুবরাজের অবশ্য আরেকটা আক্ষেপ আছে। কখনো অলিম্পিকে পদক জেতা হয়নি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরে পদক না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে অবসরে যেতে হচ্ছে তাকে।

২০০৪ সালে অলিম্পিক গেমসে অভিষেক হয় রোনালদোর। এথেন্স অলিম্পিকে ১৯ বছর বয়সী রোনালদো অ্যান্ড কোংয়ের দুঃস্বপ্নের একটা অভিজ্ঞতা হয়। গ্রুপপর্বেই ঝরে যায় পর্তুগাল। আরো হতাশার কথা হচ্ছে চার দলের গ্রুপে তারাই ছিল তলানিতে। পর্তুগালের ওপরে থেকে গ্রুপপর্ব শেষ করেছে ইরাক, কোস্টারিকা ও মরোক্কো।

অলিম্পিকে একটি মাত্র জয় আছে রোনালদোর। ওই গেমসে মরোক্কোকে ২-১ গোলে হারায় পর্তুগিজরা। যেখানে একটি গোল আছে ‘সিআর সেভেনে’র। এরপর আর অলিম্পিকের মঞ্চে দেখা যায়নি রোনালদোকে। মেসিকেও কেবল মাত্র একটি অলিম্পিকে দেখা গেছে। তা হলো ২০০৮ সালে। ওই গেমসে স্বর্ণপদক ধরে রাখে আর্জেন্টিনা।

আলবিসেলেস্তেদের পদক অক্ষত রাখার সবচেয়ে বড় অবদান হুয়ান র্যামন রিকুয়েলমের। তার দুর্দান্ত নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্সে অনেকটাই ছায়া হয়ে ছিলেন মেসি। গেমসে মেসি করেছেন দুই গোল। যার একটি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে। ওই আসরে দারুণ পারফর্ম করেছেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার সার্জিও অ্যাগুয়েরো-ও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.