December 6, 2021

Shimanterahban24

Online News Paper

কওমী মাদ্রাসা শিক্ষাই মুসলমানদের জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থা: উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমী

1 min read
উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমী

কওমী মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাই হলো মুসলমানদের জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থা।

নাযিম মাহমুদ : ২০ সেপ্টেম্বর (সোমবার) দুপুরে ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামে’আ আয়েশা সিদ্দীকা রা.সিলেট জাহানপুর দারুল হাদিস বালিকা মাদ্রাসার দারসে বুখারির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে

অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমেদ্বীন দারুল উলূম দেওবন্দের সূর্য সন্তান জামেয়া বারিধারা ঢাকার শায়খুল হাদীস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমী বলেন, কওমী মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাই হলো মুসলমানদের জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থা।

এই শিক্ষাব্যবস্থাই আল্লাহ তা’আলার সিফতে ‘ইলম’ এর সাথে যুক্ত। আমাদের সমাজে আমরা মুসলমান আল্লাহকে রাযিক মানি, হায়াত মাউতের মালিক মানি, কিন্তু আল্লাহ যে আলিম জ্ঞানী, (মুআল্লিম, শিক্ষক) তা মানিনা।

আল্লাহ তার বান্দাদের রিজেকের জিম্মাদার, হায়াত মাউতের জিম্মাদার যেভাবে। তা’লিম তারবিয়াতের জিম্মাদার সেভাবে। এজন্য তাঁর সিফত হচ্ছে আলিম।

তিনি আরো বলেন, বড় আশ্চর্যের বিষয় তিনি রাজিক হয়ে রিজেক দিতে পারেন, মুহয়ি-মুমিত হয়ে হায়াত-মাউত দিতে পারেন; যা আমরা মানি ও বিশ্বাস করি। অথচ তিনি আলিম হয়ে বান্দাদের জন্য যে শিক্ষাব্যবস্থা দিলেন তা আমরা মানিনা, বিশ্বাসও করিনা।

দেশের কয়পার্সেন্ট মুসলমানের সন্তান কওমী মাদ্রাসায় পড়ে? কি আশ্চর্য ব্যাপার!
কওমী মাদ্রাসাকে আলোকিত করার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা দান করে মুসলমান। জায়গা জমিও বরাদ্দ করে। কমিটিতে অবস্থান করে মাদ্রাসা পরিচালনায় সহায়তা করে। ইহাকে নিজের জীবনের গৌরবজনক কাজ মনে করে। কিন্তু তার সন্তানকে মাদ্রাসায় দিয়ে তার নিজের ঘর আলোকিত করতে চায়না।

তিনি বলেন, কুরআন-সুন্নাহর ইলমকে আল্লাহ তাআলা কিয়মত পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখার জিম্মাদারী নিয়েছেন ফলে কুরআনের শব্দ, কুরআনের অর্থ, কুরআনের শাব্দিক ও মর্মগত গড়গঠন পর্যন্ত আজ সাড়ে চৌদ্দ শত বছর অবধি ঐতিহাসিকভাবে সংরক্ষিত হয়ে আছে।

আর এই কুরআন সুন্নাহর শিক্ষাব্যবস্থাই হলো মুসলিম জাতির জন্য আল্লাহ প্রদত্ত শিক্ষাব্যবস্থা;যা সমগ্র বিশ্বের কওমী মাদ্রাসায় শিক্ষা দান করা হয়।

জামে’আর প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম মাওলানা মুখলিসুর রাহমান রাজাগঞ্জীর সভাপতিত্বে ও সহকারী মুহতামিম মাওলানা কামরুল ইসলাম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন জামেয়া দারুল আরকাম সিলেটের অধ্যক্ষ মাওলানা মাহবুব শিরাজী, জামেয়ার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা ওলিউর রহমান।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামেয়া মাহমুদিয়া সোবহানিঘাট মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আহমদ কবির ও মাওলানা আহমদ সগির, জামেয়া দারুল কুরআন সিলেটের শাইখুল হাদীস মাওলানা হাবীবে রাব্বানী চৌধুরী, মুফতি আব্দুল মুমিন, জামেয়া দারুল হুদা মাদ্রাসার নাইবে মুহতামিম ও মহানগর জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলাম,

তাহফিজুল কুরআন শ্যামলী ইসলামপুর মাদ্রাসার মুহতামিম হাফিজ জিয়াউর রহমান, শাইখুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ সালিম কাসিমী, জামেয়া মুতলিব খাইরুন রাজাগঞ্জ মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা সালাহ উদ্দিন, জামেয়া আরাবিয়া ধনকান্দি মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা শামসুদ্দিন জাকারিয়া প্রমুখ ।

পরিশেষে প্রধান অতিথির মুনাজাতের মাধ্যমে দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে মাহফিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমী

সীমান্তের আহ্বান / শিক্ষাব্যবস্থা

পড়ুন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.