Main Menu

সিলেটে গৃহবধু সীমার রহস্যজনক মৃত্যু; মায়ের দাবি হত্যা

সিলেট জেলা প্রতিনিধিঃ– সিলেট এসএমপির এয়ারপোর্ট থানার ইসলামপুরে দারোগার কলোনিতে গত সোমবার সন্ধ্যায় সীমা নামের এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক অবস্থায় সীমার স্বামীর বাড়ির লোকজন আত্মহত্যা বলে প্রচার করলেও সীমার মায়ের দাবি তার মেয়েকে স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে । সীমার মা একজন দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ । মাটি কেটে জীবিকা নির্বাহ করে বাচ্চাদের লালন পালন করছেন । সিমার মায়ের দাবি তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে । এদিকে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানার সাব ইন্সপেক্টর মোঃ নজরুল ইসলাম উক্ত মামলাটির তদন্ত করে নিহত সীমার গলায় ও শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন পেয়েছেন বলে জানা গেছে ।

নিহত সীমার মা বাবার দাবি তাদের মেয়ে আত্মহত্যা করেনি তাকে তার স্বামীর পরিবারের লোকজন হত্যা করেছে বলে জোরালো দাবি জানিয়েছেন এবং পার্শ্ববর্তী লোকজনের মুখ থেকে সীমার মা বাবা গোপন তত্ত্বের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন সীমাকে তার স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন মৃত্যুর তিন দিন আগ পর্যন্ত খুব বেশি নির্যাতন করেছেন আর তিনদিন পর তার মেয়ে সীমাকে হত্যা করা হয়েছে । এবং সীমা যেদিন মারা যায় মৃত্যুর কিছু সময় আগে সীমা তার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করতে না করতে কে যেন জোরপূর্বক ফোনের লাইন কেটে দেয় এরপর কিছু সময় পরে সীমার শাশুড়ি সীমার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন যে আপনার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে উপরে সিলিং ফ্যানের সাথে আত্মহত্যা করেছে আপনি তাড়াতাড়ি আসেন । তখন সীমার মা খবর পেয়ে সীমার শ্বশুরবাড়িতে দ্রুতগতিতে চলে গেলেন তখন সীমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন সীমাকে একটি সিএনজিতে করে মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে এখন সীমার মায়ের দাবি হল যদি আমার মেয়ে আত্মহত্যা করে থাকে তাহলে ঝুলন্ত লাশ থাকার কথা সিলিং ফ্যানের সাথে আর সেই লাশ থানা পুলিশ উদ্ধার আশিয়া উদ্ধার করতো কিন্তু থানা পুলিশ আসার আগে সীমাকে তাড়াতাড়ি মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার হলো কেন আইনের কাছে নিহত সীমার মা বাবার দাবি এরপর সীমার স্বামী মুকাজ্জল হোসেন (কাজল) (৩০) কে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন । নিহত সীমার মা বাবা তাদের মেয়ে হত্যাকারীর সুষ্ঠু বিচার দাবি করে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *