Main Menu

জৈন্তাপুরে প্রভাবশালীর হুমকিতে বাড়ী ছাড়ল একটি পরিবার

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:সেন্ট্রোল জৈন্তাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি প্রতিবেদন সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টলে সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার সেনগ্রামের দুটি পরিবারের মধ্যে ভূল বোঝা-বোঝিকে কেন্দ্র করে জটিলতা সৃষ্টি হয়। জটিলতার এক পর্যায়ে পরিবারটি অব্যাহত হুমকির ফলে জান-মালের নিরাপত্তার কারনে বসত বাড়ী ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বধ্য হয়েছেন লন্ডন প্রবাসী পরিবারের ৩ সদস্য।
অনুসন্ধানে জানাযায়, সেন্ট্রোল জৈন্তা উচ্চ বিদ্যালয়ের অতিত, বর্তমান নিয়ে সাংবাদিক এহসানুল হক জসিম একটি ফিচার নিউজ সামাজিক যোগাযোগ ও অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করেন। এই সংবাদে একপর্যায়ে তৎকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের ১০তম ব্যাচের ছাত্রদের মধ্যে মারামারি ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় একজন ছাত্র নিহত হওয়ার প্রসঙ্গে লিখা হয়। এই লেখাকে কেন্দ্র করে উপজেলার সেনগ্রামের পরস্পর আত্মীয় দুটি পরিবারের মধ্যে ভূল বোঝা বোঝিকে কেন্দ্র করে কিছুদিন হতে নানা ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষ-বিপক্ষ কথোপকথন হয়ে আসছে। বিষয়টি নিয়ে একপর্যায় গত ২৩ জুন মঙ্গলবার সুমনের ইন্দনে সুহেল আহমদ লোকজন নিয়ে লন্ডন প্রবাসী বাড়ীতে গিয়ে প্রকাশ্যে হুমকী প্রদান করে এবং ৬ ঘন্টার মধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলে। অন্যতায় হাত-পা ভেঙ্গে ফেলে দিবে বলিয়া হুমকী ধমকী দেন এসময় সোহেলের সহযোগীরা বাড়ীর বাহিরে অবস্থান করে। এছাড়া লন্ডন প্রবাসী আরও জানান আমার চাচা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা যিনি দেশ রক্ষার জন্য মহান মুক্তিযোদ্ধের সময় সম্মুখ যুদ্ধে সক্রিয় অংশ গ্রহন করে দেশকে স্বাধীন করেন। মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার মুক্তিযোদ্ধা চাচার সম্মান হানির চেষ্টা করে যাচ্ছে। চাচাকে নিয়ে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সহ নানা ধরনের মন্তব্য করছে। অপরদিকে আমার জন্মদাতা পিতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে কটাক্ষ করে প্রতিনিয়ত আঘাত করছে। এছাড়া আমার মামা মাষ্টার শফিকুর রহমান সব সময় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে আমার পিতাকে অশ্লিল ভাষায় গালি গালাজ করে আসছেন। তাদের নানা মূখি নির্যাতনে আমার পিতা মসজিদে নামাজে যেতে পারেন না বাধ্য হয়ে অন্য মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করেন। লন্ডন প্রবাসী আরও জানান আমার পিতা এবং আমার মৃত মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে নিয়ে কুৎসা রটনা করায় আমরা প্রতিবাদ করায় বিভিন্ন ভাবে পারিবারিক দ্বন্দ্ব বলে সামাজের অপপ্রচার করে প্রকৃত ঘটনা তারা আড়াল করতে চায়। হুমকী প্রদানকারীরা আত্মীয় হওয়ার কারনে আমরা নিরব এবং লোকলজ্জার ভয়ে মান সম্মানের কারনে নিরব থাকার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে তার পরিবারকে হুমকী দিয়ে আসছে। বিষয়টি আমরা কর্ণপাত না করে সামাজিকতা বজায় রেখে চলাফেরা করে আসছি। সম্প্রতি সেন্ট্রোল জৈন্তাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিবেদনটি প্রকাশ হওয়ার কারনে প্রতিপক্ষ আমাদের উপর দোষারোপ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গালা-গালি সহ নানা ভাবে হুমকী ধমকী দিয়ে আসছে। একপর্যায় মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের পরোক্ষ প্রতক্ষ্য মদদে সামাজিক ভাবে তাদের সুনাম নষ্ট করতে সোহেল সহ ৮/১০ জনের একটি চক্র ২৩ জুন মঙ্গলবার দুপুরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে লন্ডন প্রবাসীর বাড়ীতে ঢুকে এবং প্রবাসীর বৃদ্ধ বাবা মোঃ আব্দুল্লাহ, বৃদ্ধ মা হাওয়ারুন নেছা এবং ছোট বোনকে প্রকাশ্যে হুমকী প্রদান করে। ৬ঘন্টার মধ্যে তর ছেলেরা দেশে এসে সোহেলের পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে নতুবা তা না করলে বাড়ী ছেড়ে চলে যেতে হবে এমন হুমকী দিয়ে চলে যায়। অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বিভিন্ন সময় ফোন করে হুমকী ধমকী দেওয়ার বিভিন্ন অডিও রেকর্ডে প্রমাণ রয়েছে। রেকর্ড শুনে মনে হচ্ছে এলাকায় নিজেদের আধিপত্য এবং প্রবাসীদের তাড়ানোর জন্য প্রবাসীদের নানা ভাবে হুমকী ধমকী দিয়ে আসছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *