Main Menu

কঠিন সময় ভুগছে সিলেট পর্যটন কেন্দ্রগুলো

মোঃ ইব্রাহিম :: নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দিন দিন বাড়ছে। মার্চের ২৬ তারিখ থেকে ৫ দফায় সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে ৩০ মে পর্যন্ত করেও সামাল দেওয়া যায়নি পরিস্থিতি। সচরাচর সাধারণ ছুটি বা অবসরের কোন অবকাশ পেলেই বাঙালিরা বেরিয়ে পড়েন ঘুরতে কিন্তু পাঁচ দফার সেই সাধারণ ছুটির সময় ঘর ছেড়ে বের হওয়ার জো ছিলো না তাদের। আর এই মানুষের গৃহবন্দিত্বের কারণে সংকটে পড়ে গেছে পুরো দেশের মত সিলেটের পর্যটনখাতও।

সিলেটের বিভিন্ন টুরিস্ট স্পটগুলো সেই মার্চ থেকেই বন্ধ থাকার ফলে পর্যটকদের আনাগোনা নেই পর্যটনের জন্য প্রসিদ্ধ শহরগুলোতে। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনায় বন্ধ রয়েছে বেশিরভাগ হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট-কটেজ। পর্যটকরা না আসায় সম্ভাবনাময় এই শিল্পের এ করুণদশা। সারা বছর পর্যটন বিভাগ সিলেটে পর্যটকের আনাগোনা থাকলেও শীত মৌসুমে তা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। প্রতি ঈদের ছুটিতে রীতিমত ঢল নামে। ঈদের ১০ থেকে ১৫ দিন আগে থেকেই বুক হয়ে যায় বিভাগের প্রতিটি হোটেল-রিসোর্ট। সিলেট জেলার অন্য এলাকার পাশাপাশি পর্যটকদের সব চেয়ে বেশি ভিড় থাকে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জে। এ সব এলাকার প্রায় ৭০টি হোটেল রিসোর্টের মৌসুম- ঈদের সময়।

 

কিন্তু চলমান করোনা সংকটের কারণে সারাদেশে কার্যত লকডাউন থাকায় এ বছর ঈদে ছিলোনা সেই আমেজ।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট সূত্রে যায়, প্রতি ঈদের মৌসুমে সিলেটে সবচেয়ে বেশি পর্যটক দেখা যায় বিছনাকান্দি, জাফলং, রাতারগুল, ডিবির হাওর, হাকালুকি হাওর, মাধবকুÐ জলপ্রপাত, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাত, মনিপুরি পাড়ায়। জেলার বিভিন্ন চা-বাগান ও বাইক্কাবিল, কালাপাহাড় এলাকায়। তাছাড়া চা বাগানের জন্য শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন পর্যটন স্পটও ব্যাপক জনপ্রিয়। এই পর্যটকদের ৯৫ শতাংশই থাকার জন্য বেছে নেন মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলের প্রায় ৭০টি হোটেল রিসোর্টকে। এ সব হোটেল-রিসোর্ট প্রতি বছর ঈদের সময় কয়েক হাজার পর্যটক আগাম বুকিং দিয়ে রাখেন। কিন্তু এই বছর পর্যটকের সংখ্যা ছিলো শূন্য। সেই সাথে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় পুঁজি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাভাইরাস দু’ভাবে বিপদে ফেলছে এ দেশের পর্যটন সংস্থাগুলিকে।

শ্রীমঙ্গল শহরের (সাগরদিঘির রোডে) গ্রিন ভিউ রিসোর্টের পরিচালক মোঃ মিজবা উদ্দিন বলেন, গত বছর তার রিসোর্টের ঈদের ১ মাস আগেই সব রুম বুক হয়ে যায়। তার রিসোর্টের বেশিরভাগ বিদেশীরা,শ্রীমঙ্গল বাহিরে অঞ্চলে পর্যটক আসেন। ঈদের সময়টা ব্যবসার উল্লেখযোগ্য সময় হিসেবে সারা বছরের প্রস্তুতি থাকে কিন্তু এই বছর করোনা সংকটের কারণে সেই সুযোগ ছিল না। উল্টো ঝুঁকিতে পড়েছে আমার ব্যবসা। পরিবারের অন্য খাত থেকে টাকা এনে কর্মচারীদের বেতন দিচ্ছি।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *