Main Menu

তীরে এসে তরি ডুবলো

[বিলাল আহমদ রাসেল]

মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসবই হলো বৎষরে দুই ঈদ(ঈদুল ফিতর,ঈদুল আযহা) যাকে মানুষ অনেক আগ থেকেই আনন্দের সাথে স্বরণ করে। যেই দিন গরিব-ধনি,বাদশাহ-ফকির,ছোট-বড়,একই মাঠে মিছিলে মিছিলে আসে সালাম-মুসাফাহা করে,কুলা-কুলী করে,নামাজ পড়ে,অন্তরের সবটুকু ভালোবাসা দিয়ে প্রিয়জনকে ঈদ মোবারক বলে সহানুভূতি জানায়।
কিন্তু এবারের ঈদ ভিন্ন রকম যা আমাদেরকে ব্যতিক্রম কিছু দিয়ে যাচ্ছে সেই করোনা ভাইরাসেরই কারণে। পাচ্ছিনা সেই হৈ হুল্লুর,দেখা হবেনা সেই বন্ধুদের সাথে,যাওয়া হবেনা সেই ঈদগাহে।
সকলেই স্বরণ করবো সেই সুনালী অতিথকে। কারণ ঈদের নামাজ ঈদগাহে পড়াটার মঝাই ছিলো আলাদা। নামাজ,ওয়াজ,খুৎবা,সবই যেনো অমৃত বাণী শুনা যেতো।
হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে ফুটে ওঠতো ঈদের শুভাস,সাদা পান্জাবি,টুপি ওয়ালাদের দেখলেই মনে হতো এগুলা যেন জান্নাতেরই পুষাক। চা-কফি, লাচ্ছি-সেমাই, পভ-সন্দেস এগুলাই হলো ঈদ মেহমানদারি।
তবে এবারের ঈদে সব দিকেই পিছিয়ে পড়লো জাতি করোনার কারণে, না পারলো ঈদের পোষাক কিনতে, না পারলো অন্যান্য বাজার প্রয়োজন মতো করতে। কারণ করেনার দিন গুলাই চলছে দুর্ভিক্ষের মতো না আছে কাজ,না আছে বেতন। খরচ আর পোষাক কীভাবে বিনিময় করবেই বা জনগন?
অপর দিকে এ বছর পিছেয়ে আসতে আসতে ঈদগাহ ছেড়ে গ্রামের মসজিতে ঈদ জামাত আদায় করতে হচ্ছে মুসল্লিদের,লম্বা সময় থেকেই করোনা চলছে এবং গতি বেয়ে নাজুক অবস্থা খোোঁজে নিয়ে আমাদের গ্রামে পোঁছালো সেই করোনা। ভাবলাম লম্বা লকডাউন খুলে যেহেতু মার্কেট-বাজার অপেন চলছে তাহলে মনে হয় ঈদের নামাজটা শান্ত পরিবেষে পড়া যাবে। কিন্তু ঠিক এই সময়ই ঈদ জামাতটা ছোট করে দিয়ে তীরে এসে তরি ডুবালো ভয়াল সেই ভাইরাস।
মাওলায়ে কারীম পবিত্র এই ঈদের ওছিলায় হলেও করোনা নামক গুজব থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করো। আমিন।

লেখক : প্রতিনিধি- সীমান্তের আহ্বান, শিক্ষার্থী- লাফনাউট মাদ্রাসা।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *