Main Menu

রমযানের শেষ দশ দিন এবং রাসূল(স:)এর আমল

[মুফতি আব্দুল্লাহ আল মামুন]

★হযরত আয়শা রা. থেকে বর্ণিত, যে, রমযানের শেষ দশক শুরু হওয়ার সাথে সাথে. রাসূল (স:) সারা রাত জেগে থাকতেন ও নিজ পরিবারের সদস্যদের ঘুম থেকে জাগাতেন. এবং তিনি নিজেও ইবাদতের জন্য জোর প্রস্ততি নিতেন। (মুসলিম শরিফ: ২৬৫৮)।

হযরত আয়শা রা. বলেনঃ রাসূল (স:) অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমযানের শেষ দিকে অধিক পরিমানে এমন ভাবে সচেষ্ট থাকতেন যা অন্য সময়ে থাকতেন না। (মুসলিম: ২৬৫৯)।

★রাসূল (স:) রমযান মাসের শেষ দশ দিন যে সমস্ত আমল করতেন তা হাদিসের আলোকে নিম্নে বর্ণনা করা হলো।

(১).. রাত্রি জাগরন।
রাসূল (স:) বিশেষ করে রমযান মাসের শেষ দশকে সারা রাত্র জেগে থেকে নামায, তিলাওয়াত,যিকির- আযকারে নিমগ্ন থাকতেন।

(২)..ইতিকাফ।
মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত রাসূল (স:) যতারিতি রমযানের শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন।রাসূল (স:) এর স্ত্রী হযরত আয়শা রা. থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (স:) রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। তার ওয়াকাত / মৃত্যু পর্যন্ত এই নিয়মই ছিলো।এর পর তার সহধর্মিণীগনও (সে দিন গুলোতে)ইতিকাফ করতেন।(সহীহ বুখারী:১৮৯৯)।

(৩)..কোরআন তিলাওয়াত।
হযরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, যে, রমযানের প্রতি রাতেই জিবরাঈল আ. রাসূল (স:) এর সাথে সাক্ষাৎ করতেন।এবং তারা পরস্পর কোরআন তিলাওয়াত করে শুনাতেন।(বুখারী: ৫)।

(৪)..লাইলাতুলকদর তথা মর্যাদাসম্পন্ন রাত্রের সন্ধান করা।
হযরত আয়শা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূল (স:) রমযানের শেষ দশদিন মসজিদে অবস্থান করতেন। বলতেন তোমরা রমযানের শেষ দশদিন লাইলাতুলকদর ( মর্যাদাসম্পন্ন রাত্রি)অনুসন্ধান কর।(বুখারী.মুসলিম. তিরমিযী: ৭৭৯)।
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল (স:) বলেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় লাইলাতুলকদরে নামায আদায় করবে তার পূর্বের সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেয়া হবে।(বুখারী.মুসলিম)।

(৫)..পরিবারবর্গদের জাগানো।
হযরত আলী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,রাসূল (স:)তার পরিবারকে রমযানের শেষ দশ রাত্রে জাগাতেন।(তিরমিযী:৭৯৩)।

★সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত রমযানের শেষ দশ দিনের আমল । আল্লাহ তায়ালা আমলের তাওফিক দান করুন আমিন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *