Main Menu

লেবাননে করোনায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মস্থল হারানোর আশঙ্কা

হেলাল আহমদ, লেবানন প্রতিনিধি।।

করোনাভাইরাস মহামারিতে লকডাউনে অচলাবস্থার কারণে বহুমাত্রিক সংকট দেখা দিয়েছে লেবানন প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে।মধ্যপ্রাচ্যের দেশ লেবানন, গত কয়েক মাস ধরে চলছে রাজনৈতিক অস্থিরতা, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং তৃতীয় মাত্রা যোগ হলো করোনা ভাইরাস।

ডলার সংকটের কারণে অনেক মিল ফ্যাক্টরির মালিক তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে ইতিমধ্যেই ওই সকল কোম্পানিতে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন বেকার হয়ে বসে রয়েছে। মিল ফ্যাক্টরি গুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া কর্মীর চাহিদাও কমে গিয়েছে ।
দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কর্মরত বাংলাদেশিরা একদিকে বেতন পাচ্ছেন না আবার অনেকে ছাটাই এবং মজুরি হ্রাসের কবলে পড়েছেন।
এমন অবস্থায় আর্থিকভাবে সংকটে পড়ছেন প্রবাসীরা। একদিকে যেমন দিন কাটছে আতঙ্কে, অন্যদিকে ঘরে বন্দী থাকায় বাড়ছে দুশ্চিন্তা। অসহায় হয়ে পড়েছেন প্রবাসী শ্রমজীবী মানুষ। অনেকেই আছেন চাকরি হারানোর ভয়ে। কাজ বন্ধ হওয়ার কারণে তাঁরাও আছেন বিপাকে,
দেশটিতে দেড় লক্ষাধীক প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস, অনেকেই এখন বাড়িতে টাকা পাঠাতে পারছেন না, চাকরি নিয়েও আছে দুশ্চিন্তা।
লেবানন সৈফাত এলাকায় কর্মরত তোফাজ্জল হোসেন জানান, তিন মাস ধরে তিনি দেশে টাকা পাঠাতে পারছেন না। গত মাসে বেতন পাননি। তিনি যে কারখানায় কাজ করেন সেটিও বন্ধ। “বাড়ী থেকে যোগাযোগ করে বলে টাকা পয়সা দরকার। সামনে ঈদ তারপরে জিনিসপত্রের দাম বাইড়া যাইতেছে কিছু কেনাকাটা দরকার।”
তিনি বলেন, “কোনোটাইতো হইতেছে না। এখানে আমরা আছি বহুত করুণ অবস্থায়। আর আমরা প্রাইভেট সেক্টরে কাজ করি ভাই। কাজের কোনো নিশ্চয়তা নাই।”
“সমস্যাতো এখানেই দাঁড়াইছে দেশে আমরা কারো কাছে হাত পাততে পারতেছি না, কারো কাছে বলতেও পারতেছি না।”
এদিকে এ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে থাকা প্রবাসীদের পরিবারগুলোতে আর্থিক সংকট দেখা দিচ্ছে। কথা বলে বোঝা যাচ্ছে অনেকেই সংকটে পড়ে গেছেন। অনেকেই এখন চিন্তা করছেন কাজে আবার ফিরতে পারবে কিনা ইতিমধ্যে লেবাননে কিছুসংখ্যক কোম্পানি খোলার নির্দেশনা দিয়েছে লেবানন সরকার ।
বিশেষ করে যারা অবৈধ অবস্থায় লেবাননে বসবাস করে আসছে তারা বেশি দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে ।
এমনি একজন শ্রমিকের সঙ্গে আমার কথা হয় তিনি লেবাননের জুনি জেলায় একটি গাড়ি গ্যারেজে কাজ করেন, তিনি আমাকে মুঠোফোনে জানান, সোমবার থেকে তার কোম্পানি চালু হয়েছে তার কোম্পানিতে ১০ জন বাংলাদেশি কাজ করেন, তার মধ্যে দুজন বৈধ, আর বাকি ৮ জন অবৈধ ভাবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন, কোম্পানি ৩ জনকে কর্মস্থলে আসার নির্দেশনা দিয়েছে।
আর বাকি যারা রয়েছে এখন কর্মস্থল হারানো দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। অন্যান্য কোম্পানিগুলো এখন কোন শ্রমিক নিচ্ছে না বরং শ্রমিকদেরকে ছাটাই করতেছেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *