পটিয়ায় দুই হাজার পরিবার লকডাউনে; সরকারের আদেশ মেনে চলার আহ্বান নির্বাহী অফিসার উপমার - Shimanterahban24
May 29, 2023

Shimanterahban24

Online News Paper


Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/shimante/public_html/wp-content/themes/newsphere/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

পটিয়ায় দুই হাজার পরিবার লকডাউনে; সরকারের আদেশ মেনে চলার আহ্বান নির্বাহী অফিসার উপমার

1 min read

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরীঃ- চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা জাহান উপমা সরকারের সকাল নিয়ম আইন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানিয়ে বলেন ইতিমধ্যে যারা ঢাকা – নারায়ণগঞ্জ সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পটিয়া অবস্থান করেছেন তাদেরকে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আপনারা ঘর থেকে বের হবেনা এরখম তথ্য প্রমান পেলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে পটিয়ায় ৬ বছরের এক প্রতিবন্ধী শিশু মারা যাওয়ার পর দুই হাজার পরিবারকে লকডাউনের আওতায় রাখা হয়েছে। উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে প্রবাসী খলিলুর রহমানের শিশু মারা যাওয়ার পর প্রশাসন এলাকাটি সম্পূর্ণ লকডাউন করে রাখে। লকডাউন ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২০টি পরিবার হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আসা ৬১৬ প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইন শেষ করে বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছে। তবে উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নের ওসমান পাড়া এলাকার প্রবাসীর প্রতিবন্ধী পুত্র জ্বর, পায়খানা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে শিশুর নমুনা পরীক্ষা করা হলে কোবিভ-১৯ ভাইরাস পাওয়া যায়। এদিকে, লকডাউন করে রাখা উপজেলার হাইদগাঁও এলাকার লোকজন এখনো এলাকায় ঘুরাফেরা করছে বলে স্থানীয়রা জানান। লকডাউনে থাকে পরিবারের খাদ্য ব্যবস্থা উপজেলা প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাস দেখা দেওয়ার পর গত ২৬ মার্চ থেকে গণপরিবহন বন্ধ করে সরকারি অফিস আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া এলাকার প্রথম যেব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন তার একজন বেয়াই থাকবেন পটিয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে। বেয়াইকে দেখতে যাওয়ার কারণে পটিয়াতে প্রথম ইউছুপ আলী বাড়িটি লকডাউন করা হয়। পরবর্তীতে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু রির্পোট নেগেটিভ আসলেও তাদের বাড়িটি এখনো লকডাউন রয়েছে। আগামী ১৮ এপ্রিল লকডাউনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। এদিকে, উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নে প্রবাসী খলিলুর রহমানের পুত্রকে হাসপাতালে নিলে নমুনা পরীক্ষায় প্রজেটিভ পাওয়া যায়। এর পর স্থানীয়দের মধ্যে আতংক দেখা দেয়। প্রতিবন্ধী শিশুটির শরীরে কিভাবে ভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে প্রশাসন কিংবা মেডিকেলের কেউ এখনো নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি। যেসব এলাকায় শিশুটির পিতা ঘুরাফেরা করেছে এবং মসজিদে নামাজ আদায় করেছে এলাকাটি বর্তমানে লকডাউন করা হয়েছে এবং প্রবাসীর আত্মীয়স্বজনদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদিকে পটিয়া  উপজেলা ও পৌরসভা এলাকায় এসআলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ, হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এমপি, পটিয়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ, পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন বিত্তশালী ব্যক্তিরা অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা জাহান উপমাও উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে ও একটি পৌরএলাকায় সরকারি ত্রান মানুষের ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন।পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওএক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট ফারহানা জাহান উপমা জানিয়েছেন, পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২ হাজার পরিবার বর্তমানে লকডাউনের আওতায় রয়েছে। লকডাউনে থাকা পরিবারের লোকজনকে খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করতে নিশ্চিত করা হয়েছে। কেউ সরকারি আদেশ অমান্য করে এলাকায় ঘুরাফেরা করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পটিিয়া সহকারী কমিশনার ভুমি ম্যাজিষ্টেট ইনামুল হাসান  রাতদিন পরিশ্রম করছেন  করেনাভাইরাস

সংক্রমণ থেকে পটিয়াবাসীকে রক্ষা করার জন্য নিরলস কাজ করছেন। এছাড়াও পটিয়া থানার ওসি মোঃ  বোরহান উদ্দিন আইন শৃঙ্খলা রক্ষা সহ যাবতীয় প্রশাসনের কাজে ছুটে যান বিরামহীন ভাবে। সে জানান আমারও পরিবার আছে কষ্ট লাগে মানুষকে এত বুঝানো চেষ্টা করেছি কেউ যাতে ঘর থেকে অপ্রয়োজনীয় ঘর থেকে বের না হতে। এই রোগের একমাত্র উপায়   সচেতনতার সাথে পরিস্কার পরিছন্নতা মধ্যে থাকা ঘরে থাকা মাক্স ব্যাবহার ঘন ঘন হাত সাবান দিয়ে ধুয়েমুছে রাখা নিজেকে নিরাপদ রাখা উক্তম। পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মো. জাবেদ জানিয়েছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পটিয়াতে ৬১০ এসেছিল। তাদের সবাইকে হোম কোয়ারেন্টাইন প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে। তারা স্বাভাবিকভাবে এলাকায় রয়েছে। তবে সর্তক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে পটিয়া প্রশাসন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেনন নিরলস ভাবে এক কথায় বর্তমানে পটিয়া উপজেলা যে প্রশাসনের কর্মকর্তা রয়েছেন তারা নিজেদের অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন দেশের মহামারি সংকট সময়ে। এ কাজে যুক্ত রয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবি এবং পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। পটিয়ার সচেতন মহল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা তাদের এ কর্মদক্ষতার সাধুবাধ জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.