February 8, 2023

Shimanterahban24

Online News Paper


Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/shimante/public_html/wp-content/themes/newsphere/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা (মরণোত্তর) পদক গ্রহণ করছেন মওদুদ মাদানী

1 min read

 

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কিছু অদূরদর্শী বিভ্রান্ত মুসলমান ধর্মের নামে শুধু পাকবাহিনীকে সমর্থন করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং তাদের জুলুম নির্যাতনে মদদ জুগিয়েছে, নিজেরাও প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছে। স্বাধীনতার পর অধীকাংশই তাদের মুখোশ পাল্টালেও সেসব অপকর্মের কারণেই নিরীহ মুসলমান আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর নেমে আসে মহাদুর্যোগ।

সেই দুঃসময়েও শান্তির দূত হিসেবে আবির্ভূত হন হজরত আসআদ মাদানী (র.)। ১৯৭৩ সালে ইন্দিরা গান্ধীর বিশেষ দূত হিসেবে তিনি বাংলাদেশে আসেন। মাওলানা কাজি মুতাসিম বিল্লাহসহ বেশ ক’জন শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে দেখা করে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

তিনি এ কথা বোঝাতে সক্ষম হন, অধিকাংশ আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মোটেই বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী ছিলেন না। বরং সরেজমিন বহু ওলামায়ে কেরাম মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধারা তাদের ব্যাপক সাহায্য-সহযোগিতা পেয়েছে। বিষয়টি দূরদর্শী রাজনীতিবিদ বঙ্গবন্ধু উপলব্ধি করায় এ দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রমান্বয়ে দুর্যোগের কালো মেঘ দূর হয়ে যায়।

অপরদিকে ওলামায়ে কেরামকে সমবেত করে তাদের উদ্দেশে হজরত আসআদ মাদানী (র.) বলেছিলেন, এই বাংলাদেশ আপনাদের, আপনাদের এখানেই থাকতে হবে। এ দেশকে ভালোবাসতে হবে। এ দেশে থেকেই দ্বীন ও ঈমানের কাজ করতে হবে। এটা যেমন আপনাদের অধিকার এবং তেমনি কর্তব্যও বটে।

১ অক্টোবর ২০১৩ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তাকে ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশাল অবদান রাখায় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা (মরণোত্তর) পদক প্রদান করে বিরল সম্মানে ভূষিত করে। তার পক্ষে এ সম্মান গ্রহণ করেন তার মেজ ছেলে মাওলানা মওদুদ মাদানী। এ সম্মান সব দেওবন্দি ওলামা-মাশায়েখের এবং এ দেশের সব মাদ্রাসার।

মাওলানা আসআদ মাদানী (র.) উপমহাদেশের মাদ্রাসাগুলার প্রাণকেন্দ্র দারুল উলুম দেওবন্দের মজলিসে শূরা কমিটির সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তার তত্ত্বাবধানেই মুসলিম পার্সোনাল আইন প্রণীত হয়। মানবতার কল্যাণে নিবেদিত এ মহাব্যক্তিত্বকে বলা হতো ফিদায়ে মিল্লাত অর্থাৎ উম্মাহর জন্য উৎসর্গিত। ২০০৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তিকাল করেন তিনি।

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত জীবনীগ্রন্থ‘মাওলানা সাইয়্যেদ আসআদ মাদানী’ ওবাংলাদেশের অভ্যুদয়ে জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দের ভূমিকা। সংগ্রহে যুগান্তর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.