January 29, 2023

Shimanterahban24

Online News Paper


Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/shimante/public_html/wp-content/themes/newsphere/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

সিলেটে আদা-রসুনে করোনাভাইরাসের প্রভাব

1 min read

মু. রেজাউল হক ডালিম :: করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে সিলেটের আদা-রসুনের মূল্যে! সিলেটে পেঁয়াজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হঠাৎ করে রসুন ও আদার দাম বেড়ে গেছে। এ দুই পণ্য চীন থেকে আমদানিনির্ভর তাই দাম বেড়েছে বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা।

সিলেট নগরীর কালিঘাটের কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলাপণ্য রসুনের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা। এতে দেশি পুরোনো ও আমদানি করা রসুনের কেজি ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে। চীনা আদার দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা।

ব্যবসায়ীদের দাবি, করোনাভাইরাসের কারণে চীন থেকে আমদানিনির্ভর রসুন ও আদা আসা কমেছে। তাছাড়া দেশি রসুনের মৌসুম শেষ হয়েছে। নতুন আগাম দেশি রসুন এবং আমদানি করা রসুনের সরবরাহও কম। এসব কারণে এ পণ্য দু’টির দাম বাড়ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি দেশি পুরোনো রসুন বিক্রি হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। দেশি নতুন রসুনের দাম খুচরা বাজারে ১২০ টাকা; দোকানিরা তা বিক্রি করছেন ১৪০ টাকা কেজি দরে। আমদানি করা রসুন ক্রেতারা কিনছেন ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়। গত বৃহস্পতিবারও প্রতি কেজি দেশি পুরোনো রসুন ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। আমদানি করা রসুন ছিল ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা।

নগরীর শেখঘাট এলাকার সানাউর রহমান নামের এক বাসিন্দা বলেন, এক পেঁয়াজে আমাদের মতো নিম্নমধ্যবিত্ত ও গরিবদের অবস্থা কাহিল। এখন হু-হু করছে বাড়ছে আদা-রসুনের দাম। আমরা যাবো কোথায় বলেন তো?

দক্ষিণ সুরমার তাজকিয়া শারমিন নামের এক গৃহিনী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আগে স্বামীকে বলতাম এক কেজি রসুন আনার জন্য, এখন বলতে হয় দুই শ’ গ্রাম আনার জন্য।  কী করবো- টানাপড়েনের সংসার।’

টিসিবির বাজারদরের তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের ব্যবধানে রসুনের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা। আর এক মাসের ব্যবধানে দেশি রসুনের দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০ টাকা। দেশি রসুন প্রতি কেজি ১৫০-২২০ টাকা আর আমদানি করা রসুন ১৬০-১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আগের সপ্তাহে দেশি রসুন ছিল কেজিপ্রতি ১৪০-২০০ টাকা, আমদানি করা রসুন ছিল ১৩০-১৫০ টাকা। গত বছরের এ সময় দেশি রসুন কেজিপ্রতি ৫০-৭০ টাকা ও আমদানি করা রসুন ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে রসুন।

টিসিবির তথ্যে জানা গেছে, আদার দামও কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে মানভেদে১৩০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুকনা মরিচ কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ২৪০-৪০০ টাকা হয়েছে। এদিকে গত তিন দিনে পিয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৩০ টাকা।

বাজারে হালিকাটা বা বীজের পিয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। এতে দাম কমে আসছে। পাইকারিতে প্রতিকেজি দেশি পিয়াজ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। আমদানি করা চীনা পিয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।

কালিঘাটের ব্যবসায়ী নাসিম আহমদ বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে চীনে নতুন করে পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা সম্ভব হয়নি। এখন কেবল আগের আমদানি প্রক্রিয়ায় থাকা রসুন ও আদা আসছে। তাই পণ্য দু’টির দাম বেড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.