• Tue. Sep 29th, 2020
Top Tags

ফিরে দেখা ২০১৯; সৈকতে ভ্রমণ করেছে ১ কোটি ৪৪ লাখ পর্যটক

ByManaging Editor

Jan 4, 2020

শাহেদ হোসাইন মুবিন, কক্সবাজার প্রতিনিধি :: বিদায়ী বছরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ভ্রমণে আসেন ১ কোটি ৪৪ লাখ পর্যটক। এখনো পর্যটকেরা আসছেন। নতুন বছরের পুরো শীত মৌসুমে এ ধারা অব্যাহত থাকবে। হোটেল-মোটেল ও গেস্ট হাউস মালিক এবং রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের দাবি, বিপুল সংখ্যক পর্যটক ঘিরে পর্যটন খাতে ব্যবসা হয়েছে কমপক্ষে এক বছরে ১ হাজার ১৪০ কোটি টাকার। এখান থেকে আয়কর এসেছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা। বিশেষ করে হোটেল -মোটেল গেস্ট হাউস, রেস্ট হাউস এবং রেস্তোরাঁর মালিকরা বেশি লাভবান হয়েছে।একটি বেসরকারি সংস্থার জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শুধুমাত্র কক্সবাজার শহর ও পাশ্ববর্তী পর্যটন স্পটে অনুসন্ধান করে এ জরিপ চালানো হয়। সেন্টমার্টিন, ডুলাহাজারা সাফারিপার্ক ও মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির এ জরিপের আওতামুক্ত ছিল।

কক্সবাজার কাস্টমস আয়কর ও ভ্যাট কর্তৃপক্ষ জানান, কক্সবাজার পর্যটন নগরীর ব্যবসায়ীরা টার্গেট অতিক্রম করেছেন বিদায়ী বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে। আর ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১ কোটি ৪৪ লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণ করেছেন। তবে গেল বছর বিদেশি পর্যটক ছিল অন্যান্য বছরের ন্যায় কম। দেশের রাজনীতিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছিল বিধায়, দেশীয় পর্যটকের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিকে শহরে ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিদ্যমান প্রায় সাড়ে ৬০০ হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস, রেস্ট হাউস এবং কটেজ সমূহে কমবেশি সারা বছরই পর্যটক ছিল। পর্যটন ব্যবসায়ীদের বছর জুড়ে এ ধরনের চাঙাভাব অতীতের কোন সময় দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যশনাল মালিক ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহ আলম জানান, ব্যবসা এ বছর ভালোই হয়েছে। হোটেল রেস্তোরাঁ মালিক থেকে শুরু করে কীটকট (সমুদ্র সৈকতের ছাতা) ব্যবসায়ী এবং টমটম (অটোরিকশা) চালক রিকশা চালকেরা ও লাভবান হয় পর্যটক থাকলে।

এ নিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় সবসময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন দিবারাত্রি সতর্ক অবস্থায়। যে কারণে গেল বছর পর্যটক হয়রানি ছিনতাই অপহরণের মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। আগামীতে কক্সবাজারকে পর্যটন রাজধানী ঘোষণা করার জন্য সচল প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বর্তমান সরকার এগিয়ে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *