January 27, 2023

Shimanterahban24

Online News Paper


Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/shimante/public_html/wp-content/themes/newsphere/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

ছাত্রলীগের সনজিত-সাদ্দামের বিরুদ্ধে ভিপি নুরুলের মামলা

1 min read

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ ৩৭ নেতা-কর্মীর নামে মামলা করেছেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক৷ ফাইল ছবি

নিজের ও সহযোগীদের ওপর হওয়া হামলার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ ৩৭ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক৷

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভিপি নুরুলের পক্ষে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন৷ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান সাংবাদিকদের বলেছেন, পুলিশের করা মামলার এজাহারের সঙ্গে নুরুলের অভিযোগটি সমন্বয় করার জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে৷

মামলার আসামি হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আইনের আশ্রয় নেওয়ায় ভিপি নুরুল হককে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা৷ নাটকবাজ ভিপি থেকে দুর্নীতিবাজ ভিপি এবং সবশেষ তিনি মামলাবাজ ভিপিতে পরিণত হলেন৷’

মামলার এজাহারে ডাকসু ভিপি নুরুল হক বলেছেন, গত ২২ ডিসেম্বর আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে আমি, আমার সংগঠনের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমার কক্ষে অবস্থান করছিলাম। হঠাৎ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতা-কর্মীরা আমার কক্ষে প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে লাঠি-সোঁটা নিয়ে হামলা করে চলে যায়। তারা যেন আবারও হামলা করতে না পারে, তাই ডাকসুর কর্মচারীদের সহায়তায় ডাকসুর মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়৷ কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস এবং সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ডাকসু কর্মচারীদের সরিয়ে মূল ফটকের তালা খুলে আমার কক্ষে প্রবেশ করেন৷ তাঁরা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় দফা হামলা চালান। তাঁরা আমার কক্ষের বাতি নিভিয়ে দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ও আমার সংগঠন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা-কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলায় আমার ডান হাত ও ডান পাঁজর মারাত্মকভাবে জখম হয়৷

এজাহারে নুরুল আরও বলেন, আমাকে বাঁচাতে গিয়ে আমার সংগঠনের নেতা-কর্মী ফারুক হাসান, মুহাম্মদ রাশেদ খান, এ পি এম সুহেল, হাসান আল মামুন, আমিনুর ইসলাম, তুহিন ফারাবী, মেহদী হাসান, নাজমুল হাসান, আয়াতুল্লাহ বেহেশতী, রবিউল হোসেন, মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম, আবু হানিফ ও আরিফুর রহমানসহ ৩০ জন গুরুতর আহত হন৷ এদের মধ্যে গুরুতর আহত হয়ে ফারাবী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে আছেন। অন্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই অতর্কিত হামলায় প্রকাশ্যে নেতৃত্ব দেন সনজিত চন্দ্র দাস ও সাদ্দাম হোসেন।

মামলায় ভিপি নুরুল যাঁদের নাম উল্লেখ করেছেন, তাঁরা হলেন- সনজিত চন্দ্র দাস, সাদ্দাম হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনেট মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন বিন সাত্তার, মাস্টারদা’ সূর্যসেন হল সংসদের ভিপি মারিয়াম জাহান খান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ তুনান, স্যার এ এফ রহমান হল সংসদের ভিপি আবদুল আলীম খান, জিএস আব্দুর রহিম সরকার ও সাহিত্য সম্পাদক তানজিল ইমরান তালাশ, বিজয় একাত্তর হল সংসদের এজিএস আবু ইউনূস, ডাকসুর সদস্য রকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য ও মাহমুদুল হাসান, ডাকসুর স্বাধীনতাসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী, বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রবিউল হাসান রানা, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক উপসম্পাদক নিয়ামত উল্লাহ তপন, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হাসিবুল হোসেন শান্ত, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক সিফাতুজ্জামান খান, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল সংসদের জিএস মেহেদী হাসান মিজান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস আলম, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাবু, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা ইবনুল হাসান উজ্জ্বল ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক স্কুলছাত্রবিষয়ক উপসম্পাদক খাজা খায়ের সুজন৷

নুরুলের মামলায় আরও আসামি করা হয়েছে সলিমুল্লাহ মুসলিম হল (এসএম হল) শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, কবি জসীমউদদীন হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হৃদয় হাসান সোহাগ, ছাত্রলীগ নেতা মো. উজ্জ্বল, আরিফুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেত্রী ফাতিমা রিপা, মঞ্চের একাংশের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ও আইনুল ইসলাম মাহবুব, নেতা মেহেদী হাসান নিবিড়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদের জিএস মেহেদী হাসান শান্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি জীবন রায়কে৷

সূত্র- প্রথম আলো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.